1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

আদালতে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে সালিশ এবং বাদীকে বেদখলের চেষ্টা: পুলিশ,চেয়ারম্যান,কলেজ শিক্ষককে তলব;ওসিকে নিষেধাজ্ঞা আদেশ বাস্তবায়নের নির্দেশ

  • প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ৩ জুন, ২০২১
  • ৫৭৫ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ আদালতে বিচারাধীন একটি মামলার জমি নিয়ে সালিশ এবং বাদীকে বেদখলের চেষ্টা করার অভিযোগে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের একজন সহকারী অধ্যাপক, পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সচিবকে তলব করেছে ঈশ্বরদী সিনিয়র সহকারী জজ আদালত। আদালতের বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ্ আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই আদেশ প্রদান করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রেকর্ড সংশোধন (স্বত্ব ঘোষণা) এবং বাটোয়ারা ডিক্রির প্রার্থনায় জনৈক আব্দুল মজিদ খাঁ বাদী হয়ে ঈশ্বরদী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে শেষ পর্যায়ে আছে। এর মধ্যেই কতক বিবাদী নালিশি জমি থেকে বাদীকে বেদখল করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় প্রভাবশালী একজন কলেজ শিক্ষক, পাকশী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর সহযোগিতায় মামলার জমি মাপঝোকের নাম করে বাদীকে বেদখলের চেষ্টা ও সেখানে জোরপূর্বক ঘর বাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করেন। পাকশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জমি মাপের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে সাক্ষরিত একটি নোটিশও প্রেরণ করেন। বাদী নালিশি জমি নিয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন আছে এই মর্মে কাগজপত্র দেখলেও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আদালতের প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ না করে জমি মাপের কাজ পরিচালনা করেন। আগামী ৮ জুন পুনরায় মাপ ঝোঁকের তারিখ নির্ধারণ করেন। পাকশী ফাঁড়ির ইনচার্জ একাধিকবার বাদীকে থানায় ডেকে এবং ফোনে বিবাদীর সাথে তাদের সালিশ অনুযায়ী জমি ভাগ করে নিতে চাপ প্রয়োগ করেন। বিবাদীদের পক্ষে ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের একজন সহকারী অধ্যাপক পুলিশ ও চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে এই সালিশের আয়োজন এবং বাদীকে চাপ প্রয়োগ করেন বলে বাদী অভিযোগ করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, বাদী হলফনামা আকারে অস্থায়ী ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত করেন এবং পুলিশ, চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তির আদেশ প্রার্থনা করেন। আদালত উক্ত আদেশের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের শুনানির সুযোগ প্রদান সমীচীন মর্মে অভিমত প্রদান করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে তাদের এরূপ কাজকে কেন আদালত অবমাননা বলে গণ্য করা হবে না এবং কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে মর্মে আগামী সাত দিনের মধ্যে সশরীরে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেন। পাশাপাশি মামলার জমিতে স্থিতি অবস্থা (status quo) বজায় রাখার জন্য সকলকে নির্দেশ প্রদান করেন। নিষেধাজ্ঞা আদেশ কার্যকর করা এবং আদেশ লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ কে নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়া, আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে গ্রাম আদালতে আইনবহির্ভূতভাবে একটি মামলা চলমান আছে বলে আদালতের নিকট প্রতীয়মান হওয়ায় একই সাথে গ্রাম আদালতের আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে গ্রাম আদালতের নথি তলব করেন। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে উক্ত নথি সহ ধার্য তারিখে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ