1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন

ইউল্যাবের শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় কারাগারে নেহা

  • প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯৫ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ভুক্তভোগী তরুণীর বান্ধবী নেহাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত সিকদার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখার পুলিশের এএসআই ফারুক হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচ দিনের রিমান্ড চলাকালীন নেহাকে আদালতে হাজির করেন। একই সঙ্গে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত সিকদার নেহার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আজিমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নেহা ওই তরুণীর ধর্ষণের সহযোগী হিসেবে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

মোহাম্মদপুর থানা সূত্র জানায়, ২৮ জানুয়ারি মদ্যপানের পর থেকে নেহাও অসুস্থ ছিল। তবে গ্রেপ্তারের সময় সে মোটামুটি সুস্থ ও সবল ছিল। সেদিন তারা যে মদপান করেন সেগুলো নেহার ছেলে বন্ধু কিনে এনেছিল। নেহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, পাশাপাশি তার বন্ধুর পরিচয় পাওয়া গেছে। তাকে খুঁজতেও অভিযান চলছে।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর একটি পার্টিতে মদপানের পর রহস্যজনক মৃত্যু হয় ইউল্যাব শিক্ষার্থীর। এ ঘটনায় একটি মামলা করেছে নিহত তরুণীর বাবা। মামলার এজাহারে ওই তরুণীকে মদ্যপান করিয়ে ধর্ষণ ও হত্যার কথা বলা হয়েছে। এতে সহযোগী হিসেবে চারজনের নাম উল্লেখসহ মোট পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হচ্ছেন- ওই তরুণীর বন্ধু মর্তুজা রায়হান চৌধুরী (২১) ,মামলায় তাকে ধর্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য চার সহযোগীর মধ্যে তিনজন হচ্ছেন- নুহাত আলম তাফসির (২১), আরাফাত (২৮) ও নেহা (২৫)। আরেক বন্ধুর নাম জানা যায়নি। মামলায় অজ্ঞাত হিসেবে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে আরাফাত নামে একজন মারা গেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। আরাফাতের বাসায় স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী ও রায়হান একসঙ্গে উবারে করে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা ও একজন সহপাঠী (তরুণ) উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান।

এজাহারে বলা হয়েছে, মদ্যপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তরুণীকে একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন রায়হান। এ সময় রায়হানের বন্ধুরাও রুমে ছিল। তাদের চোখের সামনেই ধর্ষণ করা হয়।

ধর্ষণের পর রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খান কোকোকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে ওই তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুই দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ৩১ জানুয়ারি তরুণী মারা যান।

সূত্রঃ ঢাকা পোষ্ট

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ