1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসিরের বিরুদ্ধে মামলা

  • প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩১৯ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন তাম্মির আগের স্বামী মো: রাকিব হাসান। মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যাভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

বুধবার ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রাকিব হাসান এ মামলা দায়ের করেন।

রাকিবের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেন, মামলায় তামিমা সুলতানা তাম্মিকে এক নম্বর ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪৯৪,৪৯৭,৪৯৮,৫০০ এবং ৩৪ ধারায় এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজহারে বলা হয়েছে,’২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাদীর সহিত ১নং আসামী তামিমা সুলতানার ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক ৩,০০,০০১ (তিন লক্ষ এক) টাকা দেনমোহর ধার্যে বিবাহ সম্পন্ন হয় এবং রেজিস্ট্রী হয়। বিবাহের পর হইতে বাদী ও ১নং আসামী স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করিতে থাকে। দাম্পত্য জীবনে তাহাদের সংসারে বাদীর ঔরসে ১নং আসামীর গর্ভে একজন কন্যা সন্তানের জন্ম হয় যার নাম রাখা হয় তোবা হাসান, বয়স-৮বছর। ১নং আসামী( তাম্মি) পেশায় একজন কেবিন ক্রু। তিনি সৌদি এয়ারলাইন্সে কর্মরত রহিয়াছেন। চাকুরির সুবাদে তিনি বিগত ১০.০৩.২০২০ খ্রি. তারিখে গিয়েছিলেন। করোনা মহামারীর কারণে জরুরী অবস্থা সৃষ্টি হইলে সেখানেই অবস্থান করিতে থাকেন। এই সময়টা ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বাদীর সহিত তাহার যোগাযোগ হইতো। বিগত ১৪.০২.২০২১ খ্রি. তারিখে ১নং আসামীর সহিত ২নং আসামীর কথিত বিবাহের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়িলে তাহা বাদীর নজরে আসে। বাদী এই্ ধরনের ছবি দেখিয়া হতবাক হইয়া যান। পরবর্তীতে পত্র পত্রিকায় এই বিষয়ে সংবাদ দেখিয়া তিনি ঘটনার বিষয় সম্পূর্ণ নিশ্চিত ইহয়াছেন। ইহা ছাড়াও ১নং ও ২নং আসামীর কথিত ‘গায়ে হলুদ’ ও ‘বিবাহ পরবর্তী সংবর্ধনা’ এই ধরনের অনুষ্ঠান যথাক্রমে বিগত ১৭.০২.২০২১ খ্রি. তারিখে ও ২০.০২.২০২১ খ্রি. তারিখে সম্পন্ন হইয়াছে যাহা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংবাদে প্রকাশিত হইয়াছে। ১নং আসামী বাদীর সহিত বিবাহের সম্পর্ক চলমান থাকাবস্থায় ২নং আসামীর সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইয়াছেন। ২নং আসামী বাদীকে ফোন করিয়া জানাইয়াছে যে, সম্পূর্ণ বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত এবং তাহার নিকট ১নং আসামী রহিয়াছে বলিয়া তিনি বাদীকে অবগত করিয়াছেন। ১নং আসামী বাদীর সহিত বিবাহের সম্পর্ক চলমান থাকাবস্থায় ২নং আসামীকে বিবাহ করিয়াছেন যাহা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। ২নং আসামী ১নং আসামীকে প্রলুব্ধ করিয়া নিজের কাছে লইয়া গিয়াছেন এবং ১নং আসামীর সহিত অবৈধ বিবাহের সম্পর্ক দেখাইয়া শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করিয়াছেন যাহা নিকৃষ্ট ব্যভিচার। ’

আবেদনে আরো বলা হয়েছে, ‘১নং ও ২নং আসামীর এরূপ অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে বাদী ও তাহার ৮ (আট) বছর বয়সী শিশু কন্যা মারাতœকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হইয়াছেন। আসামীদ্বয়ের এহেন কার্যকলাপে বাদীর চরমভাবে মানহানি হইয়াছে যাহা বাদীর জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামীগণের বিরুদ্ধে উল্লিখিত ধারাসমূহে শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দানের আর্জি জানানো হয়েছে।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ