1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন

দুর্নীতির মামলায় পুলিশের এসআই কারাগারে

  • প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, ১০ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪০ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। মো. নওয়াব আলী নামে এই এসআই ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) কর্মরত থাকা অবস্থায় সাময়িক বরখাস্ত হন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত নওয়াবের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। বুধবার (১০ নভেম্বর) তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ অর্জনের মামলায় এসআই নওয়াব ও তার স্ত্রীসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিলের পর আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার বাকি তিন আসামি হলেন- নওয়াবের স্ত্রী গোলজার বেগম, চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-১ এর অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার বাহার উদ্দিন চৌধুরী এবং কর পরিদর্শক দীপংকর ঘোষ। গোলজার বেগম চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক।

২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আলী আকবর বাদী হয়ে নওয়াবসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এ মামলাটি দায়ের করেন।

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৯২ সালে পুলিশ বিভাগে কনস্টেবল পদে যোগ দেন নওয়াব আলী। বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের কেকানিয়া এলাকায়। গ্রামের বাড়িতে নওয়াবের নিজের নামে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির ওপর ২০১৩ সালে নির্মাণ করা একটি দোতলা বাড়ি আছে। স্ত্রী গোলজারের নামে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুরে ৩৫৪ শতক জমি, চট্টগ্রাম নগরীর লালখান বাজার এলাকায় পার্কিংসহ ১ হাজার ১০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট এবং একই এলাকায় ৪ শতক জমিও আছে। গোলজারের নামে একটি মাইক্রোবাস আছে।

দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে গোলজার চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার পশ্চিম ইছাখালীর মদ্দারহাটে হারেস আহমদ, আমিনুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, শওকত আকবরসহ সাতজনের সঙ্গে চুক্তি করে একটি জলমহাল ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করেছেন বলে দাবি করেন। এ খাত থেকে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা আয় দেখান তিনি। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে এ জলমহালের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। যাদের সঙ্গে চুক্তির কথা বলা হয়েছে, তারা অন্তত ২০ বছর আগে মারা গেছেন।

নওয়াব পুলিশ বিভাগের চাকরির সুবাদে দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করে তা স্ত্রীর নামে হস্তান্তর করেন বলে দুদকের মামলা ও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ