1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

ফেনীতে মামলা না নেয়ায় ওসিকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

  • প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪৩ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ প্রতিপক্ষের হামলায় ভেঙ্গে গেছে হাত। থানায় মামলা দেয়া হলে সেটি গ্রহন না করে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয় এএসআইকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ঐ পুলিশ কর্মকর্তা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে দুইপক্ষের সমঝোতার উদ্যোগ নেন। বিচারপ্রার্থী মঙ্গলবার ( ৩১শে আগস্ট ) আশ্রয় নেন আদালতে। এর প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগীর মামলা না নেয়ার ফেনী মডেল থানার ওসিকে কারন দর্শানোর নির্দেশ দেন আদালত ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায় যে, সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের বগড়ই গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির সুরুজ মিয়ার সাথে তার প্রতিবেশীর দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছে । গেল ২৪শে আগস্ট নারিকেল ও সুপারি গাছের চারা তুলে নিতে বাধা দেয়ায় সুরুজ মিয়াকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দেয় প্রতিপক্ষরা । ঘটনার পরদিন ২৫শে আগস্ট তিনি বাদী হয়ে রিনা আক্তার, সাহেনা আক্তার এবং সুজন নামের তিনজনকে আসামী করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি গ্রহন না করে এএসআই  আশিকুর রহমানকে অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দেন ওসি মোঃ নিজাম উদ্দিন। এএসআই  আশিকুর রহমান তদন্তের প্রতিবেদন জমা না দিয়ে দুইপক্ষের মাঝে সমঝোতার উদ্যোগ নেন। এতে ভুক্তভোগী সুরুজ মিয়া মঙ্গলবার ( ৩১শে আগস্ট) ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ খানের আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় , ধারালো দা দিয়ে সুরুজ মিয়াকে কুপিয়ে মারাত্মক আঘাত করে মোঃ সুজন। তার সাথে থাকা পাঁচ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রী আমেনার একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে আসলে সুজন , তার মা সাহেদা আক্তার এবং তার বোন রিমা আক্তার পালিয়ে যায়। পরে সুরুজ মিয়াকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।

সুরুজ মিয়ার স্ত্রী আমেনা জানান, তার স্বামীকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় মামলা করতে গেলে এজাহার গ্রহন করা হয় নি । আসামীরা প্রভাবশালী হওয়ায় থানায় মামলা না নিয়ে পুলিশ উল্টো আপোষের পরামর্শ দেন।

পেশকার শাহনূর রহমান জানান, আদালত সুরুজ মিয়ার মামলা গ্রহন করে তা  থানায় এফআইআর করার নির্দেশ দেন । থানার ওসিকে শোকজ করেন আদালত এবং সেই সাথে পরবর্তী তিনদিনের মধ্যে স্বশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেন ।

এডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেন জানান, বিষয়টি কোন সন্দেহজনক নয়। সুরুজ মিয়াকে প্রানে মেরে ফেলার জন্য ধারালো দা দিয়ে হাত দ্বিখণ্ডিত করে । এমন ছবি আদালতে জমা দেয়া হয়েছে ।

এদিকে ফেনী মডেল থানার ওসি জানান আদালতের আদেশের কপি এখনো তিনি পাননি ।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ