1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা : সাফাই সাক্ষী ২৭ জুন

  • প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, ২০ জুন, ২০২১
  • ১৪০ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃবাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলার সাফাই সাক্ষীর জন্য ২৭ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

রোববার (২০ জুন) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী আবু আব্দুল্লাহ ভূইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘদিন করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবরোধে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। উচ্চ আদালতের নির্দেশে আজ থেকে নিম্ন আদালতের স্বাভাবিক বিচারিক কার্যক্রম চলছে। এদিন বিচারক আবরার হত্যা মামলার সাফাই সাক্ষীর জন্য ২৭ জুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে রোববার (১৪ মার্চ) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে ২২ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

এ সময় বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন, আপনাদের বিরুদ্ধে ৪৬ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন, আপনাদের বিরুদ্ধে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে, আপনারা দোষী না নির্দোষ? উত্তরে তারা বলেন, ‘আমরা নির্দোষ। আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

এরপর বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন, আপনারা কেউও সাফাই সাক্ষী দেবেন। তখন আসামি মেহেদি হাসান রাসেল, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন ও ইশতিয়াক আহম্মেদ মুন্না বলেন আমরা সাফাই সাক্ষী দেবো। বিচারক সাফাই সাক্ষীর জন্য ৩১ মার্চ দিন ধার্য করেন।

মামলায় মোট ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদি হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং তদন্তেপ্রাপ্ত আরও ৬ জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৮ জন।

গ্রেফতাররা ২২ জন হলেন মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিনজন আসামি এখনও পলাতক আছেন। তারা হলেন মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এম/এ/হ

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ