1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

ওষুধ ছিটালেও মশা কেন মরে না, জানতে ঢাকায় টিম পাঠাচ্ছে চসিক

  • প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০৯ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ বছর জুড়েই মশার উপদ্রব থাকে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের প্রায় সব এলাকায়। ডেঙ্গুবাহী এডিসসহ মশা নিধনে বছরব্যাপী ওষুধ ছিটালেও তা কোনো কাজে আসছে না। লাগামহীন মশার উপদ্রবে নগরবাসী অতিষ্ঠ। তাই ওষুধ ছিটালেও মশা কেন মরে না তা জানতে ঢাকায় নিজেদের টিম পাঠাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

মশা নিধনে প্রয়োগকরা ওষুধ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আছে, সাংবাদিকের এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এম রেজাউল করিম বলেন, ‘বিষয়টি আপনারা চিন্তা করার আগে আমরা চিন্তা করেছি। ওষুধটি কেন ইফেক্টিভলি কাজ করছে না সেটি জানতে ঢাকায় টিম পাঠাচ্ছি। ঢাকা যে ওষুধটি ইউজ করছে, ওইটির সঙ্গে এটির কোনো ডিফারেন্স আছে কিনা সেটা আমরা তদারকি করে ব্যবস্থা নেব।’

তিনি বলেন, ‘আজ আমার কর্মদিবসের তৃতীয় দিন। এই শহরকে কীভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা যায় এটা নিয়ে কথা বলতে আমাদের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। উনাদের ব্রিফ করা হয়েছে, আগামী ১০০ দিনের মধ্যে ইনশাল্লাহ চট্টগ্রাম শহরকে একটি সুন্দর শহরে পরিণত করা হবে। এই লক্ষ্যে আগামী শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) থেকে মশা নিধনে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে।’

এর আগে আজ সকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পুরাতন ভবনের কেবি আবদুস সাত্তার মিলায়তনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পরিছন্ন বিভাগের সকল কর্মকর্তা ও সুপার ভাইজারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আফিয়া আক্তার, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম, মেয়রের একান্ত সহকারী আবুল হাশেম।

সভায় এম রেজাউল করিম চৌধুরী কর্মকর্তাদের বলেন, ‘আমি এই শহরের মানুষ। এই শহরে একসময় গ্যাসবাতি জ্বলতো রাস্তায়। সেই সময় থেকে এই শহরকে দেখছি। তাই আমি জানি এ শহরের সমস্যাগুলো কোথায়।’

তিনি বলেন, ‘মানুষ অনেক আশা নিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। তারা এখন আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখতে চান। আমি চাই আমরা সবেই একটি পরিবার হিসেবে সেই লক্ষ্যে কাজ করবো। একটু আন্তরিকতা থাকলেই সেই কাজ আমরা করতে পাররো।’

কাজ আদায়ের বিষয়ে নিজের কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘অতীতে কে কীভাবে কাজ করেছেন তা আমার জানান বিষয় নয়। তবে এখন থেকে হক আদায় করে কাজ করতে হবে। কোনো অনৈতিক কাজ আমাকে দিয়ে কেউ করাতে পারবে না, আপনারাও করতে পারবেন না। ব্যতিক্রম হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।’

মেয়র বলেন, ‘শহরকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য যা যা করা দরকার সেগুলো আমাদের করতেই হবে। একটি পরিবারে যেমন পিতা অভিভাবক, তেমনি এই করপোরেশনে আমাকে অবিভাবক করা হয়েছে। পিতার মতই আপনাদের বিপদে-আপদে আমাকে যেমন পাশে পাবেন, তেমনি যারা অর্পিত কর্তব্যে অবহেলা করছে, তাদের শাস্তির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’

এ সময় তিনি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে আগামী ১০০ দিনের মধ্যে চট্টগ্রামকে মডেল শহরে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, গত বছর মশামুক্ত পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। কিন্তু ক্র্যাশ প্রোগ্রামের নামে লাখ লাখ টাকার ওষুধ ছিটানো হলেও মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মেলেনি নগরবাসীর।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ