1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন

বিমসের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ১৮৯ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটির(বিমস) উদ্যোগে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার রাতে ভার্চুয়ালি এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইন্ডিয়া মেডিয়েশন ফোরামের চেয়ারম্যান ড. জর্জ ইসু ফিদা ভিক্টর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি মেডিয়েশন সেন্টারের চেয়ারম্যান সেলিমা সোবহান খসরু, এশিয়া-আফ্রিকা মেডিয়েশন এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট পঞ্চজ কুমার কুন্ডু,বিমসের রিজওনাল ডিরেক্টর অ্যাডভোকেট খোন্দকার রফিক হাসনাইন,দেবী চৌধুরানী আইন বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসাইন।

বক্তরা বলেন, একমাত্র মেডিয়েশন পদ্ধতি প্রয়োগ করে সমাজে শান্তি  আনার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব। বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটি সে কাজটিই করে যাচ্ছে। একেকজন মেডিয়েটরকে দক্ষ হিসেবে গড়ে উঠে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে।

আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি ভাবে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে মেডিয়েটর বৃন্দ অংশ নেন।

উল্লেখ্য,প্রতি বছর ১৭ জুলাই, ‘আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস’ পালিত হয়। ১৯৯৮ সালের আজকের এই দিনে বিশ্বব্যাপী ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়।  এই বিশেষ আদালতটির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে। তবে যে কোনো দেশেই এই আদালতের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে। বিশ্বব্যাপী সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধগুলোর বিচার প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে বিশ্বের অনেক দেশেই বিচ্ছিন্নভাবে নানা রকমের আন্দোলন হয়েছে। এ ধরনের বিচার প্রক্রিয়ার আন্তর্জাতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা মোটেই সহজ ছিল না। এর ধারণা আর প্রেক্ষাপটটিও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরপরই আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত এ রকম একটি আদালত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের জেনোসাইড কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়। ফলে পরবর্তী সময়ে নুরেমবার্গ ও টোকিওতে সংঘটিত হওয়া অপরাধের বিচার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এসব ঐতিহাসিক ঘটনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ন্যায়বিচার পাওয়ার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেয়। গণমানুষের প্রত্যাশাকে আশার আলো দেখিয়ে দিতে সাহায্য করে।

অপরাধ- সেটা যেখানেই হোক আর যে দেশেই হোক, মানুষ যেন বিচার প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিতে পারে; সেই ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ