1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০৮:১১ অপরাহ্ন

ভাটারার তানিয়া হত্যা মামলায় কথিত প্রেমিককে হাইকোর্টের দেয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ৩১ মে, ২০২১
  • ১৭৭ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ ২০১৯ সালে রাজধানীর ভাটারায় তানিয়া বেগম (২৭) নামের এক নারীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার কথিত প্রেমিক ফয়সালকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (৩১ মে) বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার আদালত এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ ও ড. মো. বশির উল্লাহ।

এর আগে ২০১৯ সালে ২৫ মে রাজধানীর ভাটারার ছোলমাইদ বসুমতী এলাকার একটি বাসা থেকে তানিয়া বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তানিয়ার ভাই মেহেদী হাসান বাদী হয়ে পরদিন ২৬ মে ভাটারা থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তানিয়া হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফয়সালকে (২৫) গ্রেফতার করে এর একদিন পর আদালতে পাঠায় পুলিশ।

মামলার এজাহারে মতে, ১০–১১ বছর আগে তানিয়ার সঙ্গে শাহ আলম নামের একজনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। ওই কন্যার বয়স আট বছর। কিন্তু শাহ আলমের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় দুই বছর আগে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। কয়েক মাস আগে তানিয়া তার ভাইকে ফোন করে জানান, একটি ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথাবার্তা চলছে। এরপর ২০১৯ সালের ২৫ মে তানিয়ার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পুলিশ ফোন করে তার ভাইকে জানায়, তানিয়ার লাশ পাওয়া গেছে ভাটারা এলাকার একটি বাসায়।

এদিকে ফয়সালকে গ্রেফতারের পর ভাটারা থানা পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ফয়সাল জানায়, গত মার্চ মাসে (২০১৯) তানিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের পর তার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়। বিভিন্ন অজুহাতে তানিয়া তার কাছে টাকাপয়সা চাইতেন। একপর্যায়ে তানিয়া তাকে ভালোবাসেন বলে জানান। তিনিও তানিয়ার প্রতি দুর্বল হন। স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ভাটারা এলাকায় বাসা ভাড়া নেন তারা। সেখানে তিনি (ফয়সাল) মাঝে মধ্যে যেতেন। চলতি মাসের প্রথম দিকে তানিয়া তাকে জানান, তিনি (তানিয়া) অন্তঃসত্ত্বা। এরপর থেকে দুজনের মধ্যে সমস্যার সৃষ্টি হয়।

পরে ঘটনার দিন রাতে ফয়সাল ডান হাত দিয়ে তানিয়ার গলা চেপে ধরেন। বাম হাত দিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে তানিয়ার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে তানিয়ার লাশ বিছানার চাদর ও তোশক দিয়ে মুড়ে ঘরে তালা মেরে বেরিয়ে যান তিনি। তানিয়ার মোবাইলফোন ও বাসার চাবি ম্যানহোলের মধ্যে ফেলে দেন ফয়সাল।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ