1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন

উচ্চ আদালতের একাধিক আদেশ লংঘন : বিচারক শরিফুল হককে হাইকোর্টে তলব

  • প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৯৬০ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট:  হত্যা মামলা নিস্পত্তি করতে উচ্চ আদালতের দেয়া একাধিক নির্দেশনা লংঘন করায়  চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালত-৫ এর বিচারক শরিফুল হককে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১২ জানুয়ারি ঐ মামলার কেস ডকেট (সিডি) সহ তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এক আসামির জামিন শুনানিকালে বিষয়টি নজরে আসলে মঙ্গলবার  বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।

জানা যায়,চট্টগ্রামের একটি হত্যা মামলার বিচার ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলো হাইকোর্ট। ঐ নির্দেশনার পর চার বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বিচার শেষ দূরের কথা, নতুন করে একজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহনও করতে পারেনি আদালত।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পী বলেন, ২০১৪ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের মাঝিরহাটে একটি আবাসিক হোটেলে দুজনকে খুন করা হয়। ঐ খুনের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় মনির ও লিয়াকতকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে মনির খুনের সঙ্গে নিজেকে জড়িয়ে আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। একইসঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর আসামিদের নাম প্রকাশ করে। ২০১৭ সালে এই মামলার বিচার শুরু হয়। বিচার শুরুর পর রাষ্ট্রপক্ষে সাত জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহন করে আদালত। তখন মামলাটি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৪ এ বিচারাধীন ছিলো। এ অবস্থায় মামলার আসামি মনির হাইকোর্টে জামিন চান। বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০১৭ সালে আসামির জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। একইসঙ্গে বিচারিক আদালতকে মামলাটি ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। ঐ আদেশে হাইকোর্ট আরো বলেন, যদি প্রসিকিউশন পক্ষ আর কোন সাক্ষী হাজির করতে না পারে তাহলে যেসব সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে তার ভিত্তিতে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে  হবে।  কিন্তু উচ্চ আদালতের এই নির্দেশনা প্রতিপালন করেননি ঐ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক। এমতাবস্থায় ২০১৮ সালের অক্টোবরে আবারো হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন আসামি মনির। তখন উচ্চ আদালতের আদেশ কেন বাস্তবায়ন করা হয়নি সেই বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট। এরপর ঐ আদালতের বিচারক একটি লিখিত ব্যাখ্যা দেন।

এরপর ঐ বছরের নভেম্বর মাসে আবারো জামিন চেয়ে আবেদন করে ঐ আসামি। তখন হাইকোর্ট বিচারিক আদালতকে ২০১৯ সালের ৩০ মার্চের মধ্যে মামলার বিচার সম্পন্নের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে হাইকোর্টে বিচার সম্পন্নের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। ঐ নির্দেশের পর প্রায় দুই বছর শেষ হতে চলল কিন্তু হত্যা মামলার বিচার শেষ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট নিন্ম আদালতের বিচারক।

বিষয়টি মঙ্গলবার নজরে আসলে  উভয় পক্ষকে শুনে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট বিচারককে তলবের আদেশ দেন।    মামলার কেস ডকেটসহ তাকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ