1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

দুর্নীতি অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা,বেঞ্চ অফিসারদের বদলির সিন্ধান্ত

  • প্রকাশিত হয়েছে : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩৮৭ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির সুনিদ্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই  সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার  ঘোষণা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দকে উদ্দেশ্যে করে বলেন,ঢালাও নয়, সুনিদ্দিষ্ট অভিযোগ দিন। দুর্নীতির সুনিদ্দিষ্ট অভিযোগ পেলেই আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেব। কোন ছাড় দেওয়া হবে না।  বেঞ্চ অফিসারদেরকে এক বেঞ্চ থেকে অন্য বেঞ্চে বদলির সিন্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।

শনিবার বিকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দীর্ঘ এক বৈঠক শেষে এই আইনবান জানান প্রধান বিচারপতি। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল এই বৈঠকে আপিল বিভাগের সকল বিচারপতিগণ ও অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম অংশ নেন।

বৈঠকে আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ প্রধান বিচারপতিকে বলেন, সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের থেকে আদেশের অনুলিপি পেতে বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সীমাহীন দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণ। আদালতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একটি বড় অংশের লোভের কারনে বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের হতাশা বেড়েই চলেছে। বিচার বিভাগের অভিভাবক হিসেবে দুর্নীতির এই ভয়াল গ্রাস থেকে বিচারপ্রার্থী জনগণকে বাঁচাতে আপনাকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতেই হবে। তাই আমরা মনে করি দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও আইনজীবী সমিতির সদস্যদের নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা দরকার।

এ পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ই-ফাইলিং চালু হলে এই সমস্যা অনেকটাই নিরসন হবে। তিনি বলেন, বেঞ্চ অফিসাররা একই বেঞ্চে বছরের পর বছর দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদেরকে বদলি করা হয়না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এখন থেকে বেঞ্চ অফিসারদের একই বেঞ্চে দীর্ঘদিন না রেখে অন্য বেঞ্চে বদলি করব। সমিতির নেতৃবৃন্দ প্রধান বিচারপতিকে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে পদক্ষেপ নেবে তাতে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।  বৈঠকে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার, বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ছাড়াও আইনজীবী সমিতির সভাপতি এএম আমিন উদ্দিন, সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল, কোষাধ্যক্ষ রাগীব রউফ চৌধুরী, সহ-সম্পাদক বাকির উদ্দিন ভূইয়া প্রমুখ অংশ নেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, হাইকোর্টে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ চালুর সিদ্ধান্ত হলেও আপিল বিভাগের বিচার কাজ আপাতত ভাচুয়ালি পরিচালনা করা হবে বলে প্রধান বিচারপতি সমিতির নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছেন। বৈঠকে চলতি সপ্তাহ থেকে হাইকোর্টে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ চলার বিষয়ে আইনজীবীদের সহযোগিতা কামনা করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরু হলে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থী জনগণকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ