1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন

বার কাউন্সিলকে এক শিক্ষানবীশ আইনজীবীর খোলা চিঠি

  • প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০
  • ২৪৯১ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট:  আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কতৃপক্ষকে খোলা চিঠি দিয়েছেন ব্যারিস্টার আশরাফ রহমান নামে একজন শিক্ষানবীশ আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক ওয়ালে প্রকাশ করা খোলা চিঠিতে তিনি  বার কাউন্সিল কতৃপক্ষকে তাদের ওপর  অর্পিত দায়িত্বের কথা স্বরণ করিয়ে দিয়েছেন।

খোলা চিঠিতে  ব্যারিস্টার আশরাফ রহমান লিখেছেন,‘আপনারা আইন অঙ্গনের অভিভাবক। আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব, প্রত্যেক বছর এনরোলমেন্ট পরীক্ষা নেওয়া ও সনদ প্রদান করা। এটি শুধু দায়িত্বই না, এটি আপনাদের নিকট আমানতও বটে। আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে সারা আইন অঙ্গন। আপনাদের ব্যর্থ ভূমিকা ও স্বেচ্ছাচারিতার কারণে হাজার হাজার আইনের ছাত্র ও শিক্ষানবীশদের জীবন সংকটাপন্ন। জীবন নিয়ে হলি খেলা করার অধিকার আপনাদের কোনভাবেই নেই। আজকের বর্তমান সমস্যা, আপনাদের চরম ব্যর্থতা ও অদূরদর্শিতার কারণেই সৃষ্ট। আপনারা ৬০ হাজার নিয়ে হাবুডুবু খাচ্ছেন, অন্যদিকে ১১ লক্ষ নিয়েও নিয়মিত বিসিএসও আয়োজন করছে অন্যরা। অযথা বিভিন্ন কারণ দেখানো ব্যর্থ ও অযোগ্য লোকের পরিচয়, তাই আমি বিশ্বাস করি আমাদের শ্রদ্ধেয় অভিবাবকরা অযথা কারণ না দেখিয়ে, যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বের ন্যায় সমস্যা সমাধানের পথে হাঁটবেন।

এই মহামারিতে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব নয়, কিন্তু এর আগের ২.৫ বছর কী করেছে বার কাউন্সিল? আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রত্যেক বছর ইনরোলমেন্ট পরীক্ষা সমাপ্ত করার কথা। যেহেতু স্বয়ং বার কাউন্সিল নিজেরাই আইনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে, আইন ভঙ্গ করেছে এবং শিক্ষানবীশদের নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে, সুতরাং আইনের আলোকেই তাদের একটি অধিকার জন্মায়। বার কাউন্সিল কী পারবে মূল্যবান তাদের সময় ফেরত দিতে? বার কাউন্সিলের কী অধিকার আছে এই শিক্ষানবীশদের জীবন নিয়ে খেলা করার? বার কাউন্সিলের কেন এই স্বেচ্ছাচারিতা? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর হয়তো অধরাই রয়ে যাবে।

আমি স্যালুট জানাই সেইসব শিক্ষানবীশদের যারা নিপীড়িত ও দুর্বল হয়েও সবলের বিরুদ্ধে ন্যায্য অধিকার আদায়ের যুদ্ধে নেমে অবিরাম সংগ্রাম করে যাচ্ছে। বার কাউন্সিল কে আবার অনুরোধ করব, স্বেচ্ছাচারিতা ও জীবন নিয়ে খেলা বন্ধ করুন।আপনাদের অজান্তেই হয়তো হাজার হাজার শিক্ষানবিশদের সাথে অন্যায় ও জুলুম হয়ে যাচ্ছে। আপনারা অভিভাবক দ্রুত এগিয়ে আসুন তাদের বাঁচাতে। তড়িৎ পদক্ষেপ নিয়ে এই জট ও সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করুন, নয়তো আপনাদের বিবেক আপনাদেরই মাফ করবে না। পরিশেষে, অর্পিত দায়িত্ব যা আমানতস্বরুপ তা ভঙ্গের/গাফিলতির কারনে মহান আল্লাহও আপনাদের মাফ করবে না।

নিবেদক-

ব্যারিস্টার আশরাফ রহমান।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ