1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাঠ্যবইয়ে ভুল : এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব মুনিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা: রিপনের হাইকোর্টে আগাম জামিন সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে পূর্বানুমতি কেন অবৈধ নয় সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান দম্পতির বিচার শুরু বৃদ্ধা আছিয়াকে হাজির করতে এবার পুলিশকে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট সিজিএম মোঃ শওকত আলীর সুস্থতা কামনায় ভার্চুয়াল দোয়া মাহফিল ই-কমার্স গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষায় ৩৩ ভুক্তভোগীর রিট আসামির শরীরে ক্ষতচিহ্ন; স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন আদালত মিথ্যা তথ্য দিয়ে মামলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিবাদীকে বিশ হাজার টাকা জরিমানা আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালন করলো সিএমসি

বৈবাহিক ধর্ষণের আইনী প্রতিকার কেন নয়: হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৫১ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: স্ত্রীকে জোরপূর্বক শারিরিক সম্পর্কে বাধ্য করা বা বৈবাহিক ধর্ষণকে(ম্যারিটাল রেপ)অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে কেন আইনে অন্তভূক্ত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো: মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না,ব্যারিস্টার সারা হোসেন, জেনিফা জব্বার ও শারমিন আক্তার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো: রাসেল চৌধুরী।

আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১ নভেম্বর বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), ব্র্যাক, নারীপক্ষ এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এই চারটি সংগঠন রিট দায়ের করেন।

 

 

পরে ব্লাস্ট এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নারী ও তের বছরের উর্দ্ধে কিশোরীদের বৈবাহিক ধর্ষণ অনুমোদনকারী আইনসমূহ যা বৈষম্যমূলক এবং বিবাহিত নারী ও কিশোরীদের মৌলিক অধিকার সমতা, বৈষম্যহীনতা, আইনের সুরক্ষা, জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকারের সুরক্ষা ক্ষুন্ন করে, তা কেন বাতিল হবে না, এবং এই আইনসমূহ বাতিল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বিবাদীদের কেন  নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।

দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারার বৈবাহিক ধর্ষণ সম্পর্কিত ব্যতিক্রম দফা এবং এ সংশ্লিষ্ট দন্ডবিধির ৩৭৬ ধারা, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারা, যেগুলো বিবাহিত নারী ও কিশোরীদের (তের বছরের উর্দ্ধে) স্বামী কর্তৃক ধর্ষণের বিচার প্রাপ্তির অধিকার ক্ষুন্ন করে। এসব ধারা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়।

টাঙ্গাইলের ঘটনার বিবরণী উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৫ অক্টোবর টাঙ্গাইলের চৌদ্দ বছরের এক কিশোরী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে যৌনাঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যুবরণ করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ফেরত ৩৪/৩৫ বৎসর বয়সী এক ব্যক্তির সাথে একমাস পূর্বে গত ২০ সেপ্টেম্বর তার বিয়ে হয়েছিল। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় বিয়ের প্রথম রাত থেকেই ওই কিশোরীর যৌনাঙ্গে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ধর্ষণ আইন সংস্কারের দাবীতে রেইপ ল’ রিফর্ম কোয়ালিশনের ১০ দফা দাবির পুনরায় বিভিন্ন পর্যায়ে তুলে ধরা হয় এবং জোরপূর্বক যৌনমিলনের ফলে অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণে বিবাহিত কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনা এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) পরিচালিত নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা সম্পর্কিত জাতীয় সমীক্ষায়(২০১৫) জানা গেছে যে, ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ বিবাহিত নারী প্রতিনিয়ত তাদের স্বামীদের দ্বারা যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন, যার মধ্যে জোরপূর্বক যৌনমিলন অন্তর্ভুক্ত। এমন পরিস্থিতিতে বিবাহিত নারী ও কিশোরীদের (তের বছরের উর্দ্ধে) সাংবিধানিক মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ৪টি মানবাধিকার সংস্থা ধর্ষণ সংক্রান্ত আইনের সংস্কার করে বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার নির্দেশনা চেয়ে এই রিট আবেদনটি দায়ের করা হয়।

 

 

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ