1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন

মৃত্যুদণ্ডেও হাসিমাখা মুখ অভিজিৎ হত্যার আসামিদের

  • প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০৫ বার পঠিত হয়েছে

প্রায় ছয় বছর পর ঘোষণা করা হয়েছে ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার রায়। মামলার রায়ে পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া এক জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনালের এ রায়ে যেন বিচলিত নন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। আদালতে প্রবেশ করা থেকে রায় ঘোষণার শেষ পর্যন্ত খুবই হাস্যোজ্জ্বল থাকতে দেখা গেছে তাদের।

আসামিদের মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ৫২ মিনিটে আদালতের কাঠগড়ায় হাজির করা হয়। এরপর বিচারক এজলাসে আসা পর্যন্ত পুরো সময়জুড়ে আসামিদের একে অপরের সঙ্গে হাসিখুশিভাবে কথা বলতে দেখা গেছে।

বিচারক এজলাসে আসেন বেলা ১২টা ১০ মিনিটে। ১২টা ১২ মিনিটে বিচারক যখন রায় পড়া শুরু করেন, তখন আসামিরা শান্ত থেকে খুব মনোযোগ দিয়ে রায় পড়া শোনেন। রায় ঘোষণা শেষ হলে আসামিরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসতে থাকেন। ১২টা ১৯ মিনিটে শেষ হয় রায় পড়া।

মঙ্গলবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাদের আদালতে আনা হয় হয়। এরপর তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, মো. আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহা, মো. আরাফাত রহমান, সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (বরখাস্ত) এবং আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আবদুল্লাহ। অপর আসামি শাফিউর রহমান ফারাবীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (বরখাস্ত) এবং আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আবদুল্লাহ পলাতক রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি এলাকায় ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ। ওই ঘটনায় অভিজিতের বাবা প্রয়াত অধ্যাপক ড. অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। ছেলে হত্যার বিচারের আশায় অসুস্থ শরীরে হুইল চেয়ারে বসে ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর আদালতে এসে সাক্ষ্য দেন ড. অজয় রায়। এর দেড় মাসের মাথায় ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। দেখে যেতে পারলেন না ছেলে হত্যার বিচার।

২০১৯ সালের ১৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (পরিদর্শক) মো. মনিরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই বছরের ১ আগস্ট ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মুজিবুর রহমান।

২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায়ের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। গত ২১ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ