1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন

যে কারণে হাতকড়া ছাড়াই আদালতে পরীমণি

  • প্রকাশিত হয়েছে : শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৮৪ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃবনানী থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় পরীমণি ও তার সহযোগীকে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ শুনানি শেষে রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে পরীমণিসহ চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরে বিচারক এজলাসে আসেন এবং রিমান্ড ও জামিন শুনানি শুরু হয়।

পরীমণিকে বিশেষ নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতে হাজির করা হলেও হাতকড়া ছাড়াই তাকে আদালতে উঠানো হয়। তাকে কেন হাতকড়া পরানো হয়নি জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ‌‘নিরাপত্তার স্বার্থে যেকোনো আসামিকে হাতকড়া পরানো হয়। যেহেতু আসামি নারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরা মনে করেছেন তাকে হাতকড়া পরানোর প্রয়োজন নেই। তাই তাকে হাতকড়া পড়ানো হয়নি।’

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ (১) বলা হয়েছে, পুলিশ যাকে গ্রেফতার করবেন তাকে স্পর্শ করবেন অথবা তাকে আবদ্ধ করবেন গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে। ৪৬(২) এ বলা হয়েছে, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি বলপ্রয়োগ করেন বা পালানোর চেষ্টা করেন তাহলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

হাতকড়ার ব্যবহার নিয়ে আইন আছে পুলিশ প্রবিধান বা পিআরবিতে। ওই বিধির ৩৩০ ধারায় বলা হয়েছে, ‘…বিচারাধীন বন্দীকে তাহাদের পলায়ন বন্ধ করিবার জন্য যাহা প্রয়োজন তাহার চাইতে বেশি কড়াকড়ি করা উচিত নহে। হাতকড়া বা দড়ির ব্যবহার প্রায় ক্ষেত্রেই অপ্রয়োজনীয় এবং অমর্যাদাকর। বয়স বা দুর্বলতার কারণে যাহাদের নিরাপত্তা রক্ষা করা সহজ ও নিরাপদ তাহাদের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করা উচিত হইবে না।’

পুলিশ প্রবিধানে আরও বলা আছে, বন্দীর পলায়ন ঠেকাতে অনেক সময় হাতকড়ার ব্যবহার প্রয়োজন না-ও হতে পারে। কিন্তু আক্রমণাত্মক অপরাধ সংঘটনের সম্ভাবনা থাকলে বা বন্দী কুখ্যাত বলে পূর্বপরিচিত হলে হাতকড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।

সূত্র জানায়, শুনানির শুরু থেকেই পরীমণি আদালতে নিশ্চুপ ছিলেন। তার চোখে মুখে হতাশার ভাব ছিল। তিনি গোটা সময় নিশ্চুপ ছিলেন।

আদালতে উপস্থিত পরীমণি চোখে চশমা, মুখে মাস্ক এবং শার্ট ও জিন্স পরিহিত ছিলেন। তার কাঁধে ছিল একটি ব্যাগ। সবকিছু ঠিক থাকলেও চোখে-মুখে ছিল হতাশা। আদালতের কাঠগড়ায় দীর্ঘ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে মাথা নিচু করে ছিলেন আলোচিত-সমালোচিত এই অভিনেত্রী।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে পরীমণি ও তার সহযোগী দীপু এবং প্রযোজক রাজ ও তার সহযোগী সবুজ আলীর বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর কয়েকটি ধারায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ আগস্ট) রাতে বনানীর বাসায় পৃথক অভিযান চালিয়ে পরীমণি ও রাজকে আটক করে র‍্যাব। অভিযানকালে তাদের বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

এম/এ/হ

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ