1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আট মাসেও প্রতিবেদন না দেওয়ায় আদালতের উষ্মা আবরার হত্যা : ২৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ মণ্ডপে হামলা: নুরের দলের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে বরগুনার আদালতে ব্যতিক্রমী রায়:মাদক মামলায় দোষী সাব্যস্ত আসামীকে ৭ শর্তে প্রবেশন দিয়েছে আদালত সোনাগাজীতে বদর মোকাম খালে অবৈধ বাঁধে জলাবদ্ধতা,ডুবে গেছে ফসল:ব্যবস্থা নিতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বপ্রণোদিত আদেশ আবরার হত্যা: রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন ২৪ অক্টোবর বদরুন্নেসা কলেজের শিক্ষক রুমা সরকার রিমান্ডে বারাহিপুরে চাঞ্চল্যকর ফেসবুক লাইভে স্ত্রী খুনের মামলায় টুটুলের মৃত্যুদন্ড আদালতের পরিদর্শনে ধরা পড়ল এসি ল্যান্ড অফিসের নামজারি কার্যক্রমের ভয়াবহ অনিয়ম Producing a aktionär Porch Pitch

জরুরি চিকিৎসা দিচ্ছে এমন সব হাসপাতালের তালিকা চান হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৭ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃজরুরি চিকিৎসাসেবা বিভাগ বিদ্যমান রয়েছে, দেশের এমন সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ওইসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বর্তমান অবস্থা বা চিত্রসহ বিস্তারিত তথ্য দিতে বলেছেন আদালত।

আগামী তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী বছরের (২০২২ সাল) ১৮ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত বিষয়ে শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে অসুস্থ ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে কোনো হাসপাতাল সম্মতি কেন দেবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ওইদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম, ব্যারিস্টার শারমিন আক্তার ও অ্যাডভোকেট খন্দকার নীলিমা ইয়াসমিন।

আদেশের বিষয়টি ল লাইফ রিপোর্টকে নিশ্চিত করে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম বলেন, এ আদেশের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মুমূর্ষু রোগীকে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে বাধ্য থাকবে।

২০১৮ সালে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাবকালীন চিকিৎসাসেবা না পাওয়ায় বেশ কিছু প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এসব প্রতিবেদন সংযুক্ত করে বাংলাদেশে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান-সংক্রান্ত একটি নির্ভরযোগ্য ও সর্বজনস্বীকৃত আইনি অবকাঠামো উন্নয়নে বিচার বিভাগীয় হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) এবং একাডেমি অব ল অ্যান্ড পলিসি (আলাপ)।

আদেশে আদালত সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের একটি তালিকা, জরুরি চিকিৎসাসেবা বিভাগ বিদ্যমান রয়েছে, এমন হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের একটি পৃথক তালিকা এবং ওইসব হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বর্তমান অবস্থার বিস্তারিত বিবরণসহ একটি তালিকা আগামী তিন মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে বলেছেন।

এছাড়া দেশে বিদ্যমান সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ প্রয়োজন বিশেষে যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিতে অসম্মতি প্রকাশ করা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

যদি কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ব্যবস্থা না থাকে, সেক্ষেত্রে জরুরি সেবাসমূহ বিদ্যমান রয়েছে, এমন নিকটস্থ কোনো হাসপাতালে ওই ব্যক্তিকে কেন প্রেরণ করা হবে না, সে মর্মেও রুল জারি করা হয়েছে।

এছাড়া কোনো বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে নতুন লাইসেন্স ইস্যু করার সময় এবং বিদ্যমান রেজিস্টার্ড হাসপাতাল বা ক্লিনিকসমূহের লাইসেন্স নবায়ন করার সময় বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকসমূহে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান বিভাগ আবশ্যিকভাবে বিদ্যমান থাকতে হবে- এমন শর্ত যুক্ত করে দিতে কেন নির্দেশনা প্রদান করা হবে না, রুলে সে বিষয়টিও জানতে চেয়েছেন আদালত।

চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিট আবেদনের বিষয়ে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম জাগো নিউজকে বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যমান হাসপাতাল এবং ক্লিনিকসমূহ কর্তৃক যেকোনো অসুস্থ ব্যক্তি, যাদের যথাসময়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা না হলে মৃত্যু, স্থায়ী প্রতিবন্ধীত্বসহ নানাবিধ শারীরিক জটিলতার শিকার হতে পারেন- এমন ব্যক্তিদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া নিশ্চিতকরণে বিবাদীদের ব্যর্থতায় আবেদনকারীরা সংক্ষুদ্ধ হয়েছেন।

কোনো না কোনো অজুহাতে অসুস্থ ব্যক্তিদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে অস্বীকৃতি জানানো বর্তমানে দেশে বিদ্যমান সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের একটি স্বাভাবিক চিত্র/চিরাচরিত অভ্যাসে পরিণত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত ৯ জানুয়ারি জামালপুরের মাদারগঞ্জের আল্পনা নামের এক নারীর তীব্র প্রসব বেদনা শুরু হলে নিকটস্থ মাদারগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই গর্ভবতী নারীর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে অস্বীকৃতি জানান এবং জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে ওই প্রসূতি নারীর তীব্র প্রসব বেদনা শুরু হলে নিকটস্থ বকুলতলা মৈত্রী ক্লাবে তিনি সন্তান প্রসব করেন।

২০১৬ সালে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে, একারণে সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত এক ব্যক্তিকে পর পর তিনটি পৃথক বেসরকারি হাসপাতালে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা না দেওয়ায় চতুর্থ হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি মারা যান।

২০১৯ সালের এপ্রিলে আর্থিক সামর্থ্য না থাকার কারণে অবসটেট্রিক ইস্যুতে জরুরি অবস্থায় এক প্রসূতিকে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়নি। রাজধানীর আজিমপুরের মাতৃসদন ও শিশু স্বাস্থ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের পার্কিংয়ে ওই নারী অন্য দুই নারীর সহায়তায় মৃত সন্তান প্রসব করেন।

এম/এ/হ

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ