1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

ত্রাণের চাল আত্মসাত: আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা বরকত ও তার ভাইয়ের জামিন দেননি হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৬৭ বার পঠিত হয়েছে
A general view shows the premises of Bangladesh's highest court after the removal of a controversial statue that Islamist radicals had protested against for months, calling it an "un-Islamic" Greek deity, in Dhaka on May 26, 2017. Bangladesh on May 26 removed a controversial statue depicting a goddess of justice outside its Supreme Court that religious hardliners had deemed "un-Islamic", a move its creator said marked a victory for Islamists. / AFP PHOTO / - (Photo credit should read -/AFP via Getty Images)

ল লাইফ রিপোর্টঃ  ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলের বিরুদ্ধে ত্রাণের চাল আত্মসাতের ঘটনায় করা মামলায় জামিন দেননি হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি জাহিদ সারোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম।

গত বছরের ১৬ মে রাতে শহরের গোয়ালচামট মহল্লার মোল্লা বাড়ি সড়কে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়িতে দুই দফা হামলার ঘটনা ঘটে। ১৮ মে সুবল সাহা এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। ওই বছরের ৭ জুন রাতে এ মামলার আসামি হিসেবে প্রথমে বরকত ও রুবেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এ হামলা মামলা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে আরো আটটি মামলা হয়েছে; যার মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ত্র, মাদক, হত্যা, চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগের মামলা।

অর্থপাচারের এই মামলায়ও গত বছর ১৪ জুলাই তাদের দুইদিন রিমান্ডের অনুমতি দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতিকুল ইসলাম।

গত বছর ২৬ জুন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক এসএম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে ঢাকার কাফরুল থানায় মানি লন্ডারিংয়ের এ মামলা করেন। দুই ভায়ের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে দুই হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন এবং পাচারের অভিযোগ আনা হয় সেখানে।

এজাহারে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি ‘নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের’ মালিক হয়েছেন বরকত ও রুবেল।

এছাড়া ‘মাদক ব্যবসা ও ভূমি দখলের’ অভিযোগ আনা হয়েছে এজাহারে। এভাবে উপার্জিত ‘অবৈধ’ অর্থ দিয়ে বিভিন্ন সম্পত্তির মালিক হওয়ার পাশাপাশি তারা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশেও ‘অর্থ পাচার’ করেছেন বলে দুদক।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ