1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরাই সাংবাদিকদের কাজ : হাইকোর্ট বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা: দুদকের আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি পাঠ্যবইয়ে ভুল : এনসিটিবির চেয়ারম্যানকে হাইকোর্টে তলব মুনিয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা: রিপনের হাইকোর্টে আগাম জামিন সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে পূর্বানুমতি কেন অবৈধ নয় সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান দম্পতির বিচার শুরু বৃদ্ধা আছিয়াকে হাজির করতে এবার পুলিশকে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট সিজিএম মোঃ শওকত আলীর সুস্থতা কামনায় ভার্চুয়াল দোয়া মাহফিল ই-কমার্স গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষায় ৩৩ ভুক্তভোগীর রিট আসামির শরীরে ক্ষতচিহ্ন; স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন আদালত

পাসপোর্ট জব্দের পরও পি কে হালদার কীভাবে বিদেশে: দুদককে হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৫১ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ  পাসপোর্ট জব্দের আদেশ থাকার পরও পি কে হালদার (প্রশান্ত কুমার) কীভাবে দেশের বাইরে গেছে তার ব্যাখা চেয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে পি কে হালদারের মামলায় আসামিদের জবানবন্দিতে যাদের নাম এসেছে তাদের ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নিয়েছেন তা দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) জানাতে বলা হয়েছে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত বলেছেন, পি কে হালদার যেদিন দেশত্যাগ করেন সেদিন বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে কে ছিলেন, গোয়েন্দা সংস্থা ও দুদকের দায়িত্বে কে ছিলেন, তার তালিকা দাখিল করতে হবে।

পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনটি বিভাগে ২০০৮ সাল থেকে কর্মরতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরিতে ১৫ মার্চের মধ্যে পদক্ষেপ জানতে চেয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তিনটি বিভাগে ২০১০ সাল থেকে কর্মরত ৩৯৪ জন কর্মকর্তার তালিকা হাইকোর্টে দাখিলের পর এ আদেশ দেন আদালত।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

ওই তিন বিভাগে গত ২০০৮ থেকে ২০২০ সালে দায়িত্বে থাকাদের নাম, পদবী, ঠিকানা সরবরাহ করতে ২১ জানুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই সময়ে অর্থপাচার রোধে এসব কর্মকর্তাদের ব্যর্থতা রয়েছে কি-না এবং দায়িত্ব পালনে ব্যর্থদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে বলেছিলেন।

এ আদেশ অনুসারে আজ (সোমবার) বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ডিপার্টমেন্ট অব ফিনান্সিয়াল ইন্টস্টিটিউশন্স অ্যান্ড মার্কেটস-১৪৭ জন, ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন্স ইন্সপেকশন ডিপার্টমেন্ট-৫৭ জন, ইন্টারন্যাল অডিট ডিপার্টমেন্ট-১৯০ জন ২০১০ সালে থেকে কর্মরত রয়েছেন।

এর আগে ২০০৮ ও ২০০৯ সালে ম্যানুয়েল সিস্টেম থাকায় তাদের তালিকা প্রণয়নে সময় চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে ব্যর্থতার বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এজন্যও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সময় প্রয়োজন।

এ বিষয়গুলো উপস্থাপনের পর ১৫ মার্চের মধ্যে পদক্ষেপ জানতে চেয়ে হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ