1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন

বাল্যবিবাহ: হাইকোর্টের নির্দেশে নেত্রকোনার দুই শিশুর মুক্তি

  • প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৬২ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড পাওয়া নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার দুই শিশুকে হাইকোর্টের আদেশের পর মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলাপ শেষে বুধবার (৪ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সাইফুর রহমান জানান, ‘নেত্রকোনার ওই দুই শিশুর বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চের নজরে আনা হলে আদালত দুই শিশুকে মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে নেত্রকোনার জেলা প্রশাসককে হাইকোর্টের আদেশের বিষয়টি অবহিত করার জন্য আমাকে নির্দেশ প্রদান করা হয়। আমি নেত্রকোনার জেলা প্রশাসককে টেলিফোনে আদালতের আদেশের বিষয়টি অবগত করি। ডিসি জানিয়েছেন যে, ওই দুই শিশুকে আপিল শুনানি করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে বুধবার (৪ আগস্ট) সকালে ওই দুই শিশুর মুক্তির ব্যবস্থা করতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার সাইফুর রহমানকে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নির্দেশ দেন আদালত। সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

দুই শিশুর মুক্তির বিষয়ে আদালতে চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

তিনি চিঠিতে জানান, বুধবার (৪ আগস্ট) দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে দুই শিশুকে দণ্ড’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে জানতে পারি, নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে দুই শিশুকে এক মাসের সাজা দিয়েছেন। এই প্রতিবেদন পড়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। শিশু আইনের অধীন ভ্রাম্যমাণ আদালতের কোনও এখতিয়ার নেই। ফলে অত্র সাজা এখতিয়ার বহির্ভূত।

তাই সুপ্রিম কোর্ট রুলসের ১১-‘ক’ অধ্যায়ের বিধি ১০ মোতাবেক এই চিঠিটি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আবেদন হিসেবে বিবেচনা করে এবং প্রথম আলো পত্রিকার সংযুক্ত প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে উল্লিখিত শিশুদের তাৎক্ষণিক মুক্তির আদেশ দিতে অথবা ক্ষেত্রমতে উপযুক্ত আদেশ প্রদানের জন্য চিঠিতে আরজি জানানো হয়।

পরে চিঠি পাঠানোর বিষয়ে আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রধান বিচারপতি বরাবর চিঠি পাঠিয়েছিলেন এক সন্তানহারা মা নীলাবতি বেহারা। সেই চিঠির ভিত্তিতে তিনি ক্ষতিপূরণও পেয়েছিলেন। স্বচক্ষে দেখেছি, পত্রিকার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অনেক স্বপ্রণোদিত রুল জারি করেছেন আদালত। বিচারও হয়েছে। জেল থেকে পাঠানো চিঠিগুলো জেল আপিল হিসেবেও বিবেচিত হয়। তাই সেসব উদাহরণকে কাজে লাগিয়ে এই চিঠি পাঠিয়েছিলাম।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ