1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন

বেসিক ব্যাংকের টাকা উদ্ধারের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৩ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক মামলায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ভেদে এখনও পর্যন্ত খাতওয়ারি সুনির্দিষ্টভাবে কত টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবীকে লিখিতভাবে এসব তথ্য জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বেসিক ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারির সাত মামলায় জড়িত মোহাম্মদ আলীর জামিন আবেদনের শুনানিকালে বুধবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালত দুই মামলায় মোহাম্মদ আলীকে জামিন দিয়ে অপর পাঁচ মামলায় জামিন শুনানি এক সপ্তাহ মুলতবি করেছেন। এছাড়াও পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৮ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালত।

আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন। অপরদিকে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা পৃথক মামলায় আটক ব্যাংকটির শান্তিনগর শাখার সাবেক ম্যানেজার মোহাম্মদ আলী চৌধুরী জামিন চেয়ে নিম্ন আদালতে আবেদন জানান। তবে সেখানে জামিন না মিললে তিনি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে তার জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। এরই ধারাবাহিকতায় সাতটি মামলায় তার জামিন বিষয়ে রুলের শুনানির জন্য মামলাগুলো হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ওঠে।

শুনানিকালে আদালত দেখতে পান, বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় এখনও অভিযোগপত্র হয়নি। তাই আদালত জানতে চান, কত টাকা উদ্ধার হয়েছে।

দুদকের আইনজীবী আদালতকে জানান, প্রায় চার হাজার কোটি টাকার মধ্যে এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

তখন আদালত খাতওয়ারি কোন মামলায়, কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কত টাকা উদ্ধার বা আদায় হয়েছে, তা লিখিতভাবে জানাতে দুদক আইনজীবীকে নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত, বেসিক ব্যাংকে ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় ২০১৫ সালের ২১, ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর ৫৬টি মামলা করে দুদক। এসব মামলায় প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। ওই সব মামলায় ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামসহ আসামির সংখ্যা শতাধিক।

এদিকে বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর বিরুদ্ধে সর্বমোট ১৯টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ সাত মামলার দুটিতে মোহাম্মদ আলী জামিন পেলেন।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ