1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
আট মাসেও প্রতিবেদন না দেওয়ায় আদালতের উষ্মা আবরার হত্যা : ২৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ মণ্ডপে হামলা: নুরের দলের ৭ নেতাকর্মী রিমান্ডে বরগুনার আদালতে ব্যতিক্রমী রায়:মাদক মামলায় দোষী সাব্যস্ত আসামীকে ৭ শর্তে প্রবেশন দিয়েছে আদালত সোনাগাজীতে বদর মোকাম খালে অবৈধ বাঁধে জলাবদ্ধতা,ডুবে গেছে ফসল:ব্যবস্থা নিতে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বপ্রণোদিত আদেশ আবরার হত্যা: রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন ২৪ অক্টোবর বদরুন্নেসা কলেজের শিক্ষক রুমা সরকার রিমান্ডে বারাহিপুরে চাঞ্চল্যকর ফেসবুক লাইভে স্ত্রী খুনের মামলায় টুটুলের মৃত্যুদন্ড আদালতের পরিদর্শনে ধরা পড়ল এসি ল্যান্ড অফিসের নামজারি কার্যক্রমের ভয়াবহ অনিয়ম Producing a aktionär Porch Pitch

মধ্যরাতে বিচারপতিকে মেসেজ : বগুড়ায় হাই ফ্লো ন্যাজাল সংকটের সমাধান

  • প্রকাশিত হয়েছে : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
  • ২৬০ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃবগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সংকটের বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনার পর অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে সমাধান হয়েছে।

শুক্রবার (২ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সংকটের বিষয়টি এসএমএস করে রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে বিচারপতিকে অবহিত করেন। পরে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সংকটের সমাধান হয়েছে।

শনিবার (৩ জুলাই) আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ঢাকা পোস্টকে জানান, বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সংকটে ৭ করোনারোগীর মৃত্যু হয়েছে। আরো ১০ জন রোগীর অবস্থা মুমূর্ষ- এমন সংবাদ গণমাধ্যমে দেখে শুক্রবার মধ্যরাতেই রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমকে অবহিত করি। এরপর বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেলকে দেখতে বলেন আদালত।

পরে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন স্বাস্থ্য সচিব ও ডিজির সঙ্গে কথা বলেন। আজ সকালে রেজিস্ট্রার জেনারেল জানিয়েছেন বগুড়ার সেই হাসপাতালের হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সংকটের সমাধান হয়েছে বলে জানান মনজিল মোরসেদ।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, আমাকে জানানো হয়েছে সরকারিভাবে আগামীকাল ১০/১৫টি ক্যানুলা লাগানো হবে। তবে আজকে বেসরকারিভাবে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ২০টি লাগানো হয়েছে বলে শুনেছি।

জানা যায়, শুক্রবার (২ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার আগের ১৬ ঘণ্টায় চাহিদা অনুযায়ী উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন না পাওয়ায় ৭ করোনারোগীর মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০০ শয্যার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে শুক্রবার সকাল ৭টা পর্যন্ত ২২৩ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। যাদের অধিকাংশেরই উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ প্রয়োজন ছিল। কিন্তু হাসপাতালটিতে বর্তমানে মাত্র দু’টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা থাকায় দু’জনের অতিরিক্ত আর কোনো রোগীকে উচ্চমাত্রার অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যে কারণে যাদের অক্সিজেন স্যাচুরেশন (রক্তে ঘনীভূত অক্সিজেনের মাত্রা) ৮৭’র নিচে তাদের জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা সংকটের একই চিত্র জেলার অন্য হাসপাতালেও।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার তিন হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে শ্বাসকষ্ট থাকা রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহের জন্য হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা আছে মোট ২৩টি। এর মধ্যে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ২টি, শজিমেক হাসপাতালে ১১টি এবং
বেসরকারি টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০টি।

বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজল জানান, তাদের হাসপাতালে রোগীর যে পরিমাণ চাপ সেখানে অন্তত ২০টি হাই ফ্লো নাজাল ক্যানুলা প্রয়োজন, কিন্তু আছে মাত্র দু’টি। এ কারণে চাহিদা অনুযায়ী রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে অধিক শ্বাসকষ্টে থাকা রোগীদের বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এম/এ/হ

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ