1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিক কারাগারে ফখরুলসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ নভেম্বর বিএনপি নেতা দুলুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৩১ অক্টোবর ৪৬০ কোটির মালিক কম্পিউটার অপারেটর নুরুল ফের রিমান্ডে ‘ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডি প্রতারক চক্রের লিডার’ ভুল চিকিৎসায় পুরুষত্বহীনতার অভিযোগ:২৪ ঘন্টার মধ্যে ওসিকে মামলা নেয়ার নির্দেশ দিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট ফেনীর দাদনার খাল দখল ও দুষণের অভিযোগ:স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ফেনীর দাদনার খাল দখল ও দুষণের অভিযোগ:স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামীর প্রক্সি দেয়ার ঘটনায় করা মামলায় একব্যক্তির ২ বছর কারাদণ্ড

মৃত্যুর পর মুশতাকের জামিন শুনানি হাইকোর্টে

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১
  • ১৫০ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে লেখক মুশতাক আহমেদ আগেই হাইকোর্টে জামিন আবেদন করে রেখেছিলেন। কিন্তু জামিন শুনানির আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন তিনি।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদ মারা যান। মৃত্যুর তিনদিন পর সোমবার (১ মার্চ) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোরের সঙ্গে লেখক মুশতাক আহমেদের জামিন আবেদনটিও শুনানির জন্য ওঠে।

শুনানিকালে আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া আদালতকে বলেন, ‘লেখক মুশতাক আহমেদ মৃত্যুবরণ করেছেন।’ তখন আদালত আইনজীবীকে বলেন, ‘সেটি আপনি হলফনামা আকারে জানান। তখন তার জামিন আবেদন বাদ দেওয়া হবে।’

সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী পরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘৩ মার্চের মধ্যে লেখক মুশতাক আহমেদের মারা যাওয়ার বিষয়টি হলফনামা আকারে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। ওইদিন পরবর্তী আদেশ দেবেন আদালত। একইসঙ্গে কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোরের জামিন আবেদনের আদেশের জন্য আগামী ৩ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে।’

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৮টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে মুশতাক আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন। মুশতাক আহমেদ নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজার থানার ছোট বালাপুর এলাকার মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

তার মৃত্যুর পর সিনিয়র জেল সুপার মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, সন্ধ্যায় কারাগারের ভেতর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মুশতাক আহমেদ। এ সময় তাকে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

লেখক মুশতাকের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুতে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বামধারার রাজনৈতিক সংগঠনগুলো। তিনি আইনি বৈষম্যের শিকার বলেও অনেকে মন্তব্য করেন।

গত বছরের মে মাসে লেখক মুশতাক আহমেদ, কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোরকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কথাবার্তা ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তারা দুজনসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে সংস্থাটি। সেই মামলায় দুজন জামিনে মুক্তি পান। তবে মুশতাক ও কিশোরের জামিন আবেদন নাকচ হয়।

গত ১৩ জানুয়ারি কার্টুনিস্ট আহমেদ কবীর কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ভূঁইয়া ও লেখক মুশতাক আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে রমনা থানা পুলিশ। যেখানে জুলকারনাইন খান ওরফে সামিসহ অন্য আটজনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া আসামিরা হলেন- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নান, জার্মানপ্রবাসী ব্লগার আসিফ মহিউদ্দিন, নেত্র নিউজের সম্পাদক ও সুইডেনপ্রবাসী তাসনিম খলিল, হাঙ্গেরিপ্রবাসী জুলকারনাইন শায়ের খান ওরফে সামি, আশিক ইমরান, স্বপন ওয়াহিদ, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সাংবাদিক সাহেদ আলম ও ফিলিপ শুমাখার।

পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন মামলাটির অধিকতর তদন্তে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটকে নির্দেশ দেন।

২০২০ সালের ৫ মে র‌্যাব-৩ এর ওয়ারেন্ট অফিসার মো. আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে মিনহাজসহ ১১ জনের নামে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন। এছাড়া আরও অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ‘আই অ্যাম বাংলাদেশি’ নামের ফেসবুক পেজে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে অপপ্রচার বা গুজবসহ বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিয়েছে। যা জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটায়। ওই পেজের অ্যাডমিন শায়ের জুলকারনাইন, আমি কিশোর, আশিক ইমরান, ফিলিপ সমাচার, স্বপন ওয়াহিদ, মোস্তাক আহম্মেদ নামীয় ফেসবুক আইডিসহ পাঁচজন এডিটর পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে এটি পরিচালনা করে আসছেন।

 

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ