1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন

রাজারবাগ পির নিয়ে মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন, হাইকোর্টে রুল

  • প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৬ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ মানবপাচার মামলা চলমান থাকা অবস্থায় রাজারবাগ পির সিন্ডিকেটের বিষয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদন প্রদান কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সচিব, কমিশনের চেয়ারম্যান, পুলিশ প্রধান, চাঁদপুর পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট নয়জনকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আজ রাজারবাগ পিরের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইলিয়াস আলী মন্ডল, তার সঙ্গে ছিলেন মাছুমা জামায়েল মুন্নী। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এই দুই আইনজীবী।

এ বিষয়ে আইনজীবী ইলিয়াস আলী মন্ডল বলেন, রাজারবাগ দরবার শরিফের পিরের বিরুদ্ধে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন যে প্রতিবেদন দাখিল করেছে, সেটি আমরা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করি। ওই রিটের শুনানি নিয়ে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মানবাধিকার কমিশনের তদন্তকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

তিনি বলেন, রাজারবাগ পিরের বিরুদ্ধে রিটকারী ইকরামুল হক কাঞ্চনের বিরুদ্ধে আমার মক্কেল মোহাম্মদ সোহেল মানবপাচার মামলা করেন। ওই মামলাটি চাঁদপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।

‘মানবাধিকার কমিশনের আইন অনুযায়ী মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ওই মামলার বিষয়ে কোনো তদন্ত করা যাবে না। অথচ কমিশন সেই কাজটিই করেছে। তাছাড়া কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে রাজারবাগ পিরের প্ররোচনায় আমার মক্কেল নাকি মামলা করেছেন। একটি মামলা চলমান থাকা অবস্থায় কমিশন এমন তদন্ত করতে পারে না।’

আইনজীবী ইলিয়াস আলী মন্ডল আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশন তার তদন্ত প্রতিবেদনে বলেছে, মানবপাচার মামলার আসামি ইকরামুল আহসান কাঞ্চন ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি কমিশনের নিকট তার বক্তব্য দিয়েছেন। অথচ এই কাঞ্চন ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি মানবপাচার মামলায় কারাগারে যান এবং জামিনে মুক্ত হন ২৫ ফেব্রুয়ারি। এখন প্রশ্ন হলো ২৫ ফেব্রুয়ারি যদি তিনি জামিন পান তাহলে ১৩ ফেব্রুয়ারি কীভাবে মানবাধিকার কমিশনের কাছে বক্তব্য দিলেন। তাই ওই প্রতিবেদন চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছি।

রাজারবাগের পির দিল্লুর রহমান ও তার প্রতিষ্ঠানসমূহের নামে যেসব সম্পদ রয়েছে তার তালিকা প্রস্তুত করে আয়ের উৎস ও রাজস্ব দেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে- এমন সাত দফা সুপারিশ দিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

ওই প্রতিবেদন দাখিলের পর হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ কমিশনের দাখিল করা সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির ও এমাদুল হক বশির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ