1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:২১ অপরাহ্ন

শ্রমিক নেতা হত্যা: পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে তলব

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১
  • ২২০ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: দীর্ঘদিনেও তদন্ত শেষ না হওয়ায় রাজশাহীর পুঠিয়ার শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ইন্সপেক্টর শামীম আক্তারকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৫ এপ্রিল তাকে মামলার সিডিসহ হাজির হতে বলা হয়েছে।

এই মামলার এক আসামির জামিন শুনানির সময় সোমবার (১৪ মার্চ) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতের আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সরোয়ার হোসেন বাপ্পী।

তিনি বলেন, আজ এ মামলার আসামি আবুল কালাম আবুর জামিন শুনানির সময় এতদিনেও তদন্ত শেষ না হওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। তখন আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শামীম আক্তারকে তলব করেছেন। একইসঙ্গে সন্দেহভাজন আসামি আবুর জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছেন আদালত।

২০১৯ সালের ১ ডিসেম্বর রাজশাহীর পুঠিয়ার শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। মামলার যাবতীয় নথি পিবিআই’র কাছে হস্তান্তর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এই তদন্তের সময় আবেদনকারীর মূল এজাহার, রাজশাহীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্ত প্রতিবেদন ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিবেচনা করতে বলা হয়েছে। এই তদন্ত কার্যক্রম তদারকি করতে পিবিআই প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদারকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুঠিয়া সড়ক পরিবহন মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন নিয়ে বিরোধের জের ধরে খুন হন শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম। ২০১৯ সালের ১১ জুন সকালে পুঠিয়ার কাঁঠালবাড়িয়া এলাকার ‘এসএস ব্রিক ফিল্ড’ নামক ইটভাটা থেকে নুরুল ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে নিগার সুলতানা থানায় এজাহার দাখিল করেন। কিন্তু তার এজাহার গ্রহণ না করে তার কাছ থেকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর কয়েকদিন থানা থেকে কোনো তৎপরতা না দেখে নিহতের স্ত্রী সাজেদা বেগম পুঠিয়া উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নালিশি মামলা করেন। এই মামলায় শুনানির সময় পুঠিয়া থানা থেকে নিগার সুলতানার স্বাক্ষর করা একটি এজাহার হাজির করে থানা পুলিশ। তাতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি দেখানো হয়। ওই এজাহারে সন্দেহজনক হিসেবে ৫ জনের নাম বলা হয়।

এই এজাহারের বিষয়ে তখনই নিগার সুলতানা ও তার মা সাজেদা বেগম আপত্তি জানিয়ে বলেন, এই এজাহার তাদের নয়। পরে নিহত নুরুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই আইজি, রাজশাহী রেঞ্জের পুলিশের ডিআইজি ও রাজশাহীর এসপির কাছে এজাহার বদলে ফেলার অভিযোগ দাখিল করে। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়নি। এ অবস্থায় হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। এ রিট আবেদনে হাইকোর্ট রুল জারি করেন এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

হাইকোর্টের নির্দেশে অভিযোগ তদন্ত করে ওসি সাকিলসহ ৫ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিম মো. মেহেদী হাসান তালুকদার। প্রতিবেদনটি ওই বছরের ৬ নভেম্বর হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে হাইকোর্ট শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার তদন্ত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ