1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন

বেকারত্ব,বাউন্ডুলে ও বাংলাদেশ

  • প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০
  • ৬১৮ বার পঠিত হয়েছে

বেকারত্বের এই বাংলাদেশে হাজারো যুবক রয়েছে যারা সার্বিক অর্থে না হলেও জাগতিক স্বভাবে বাউন্ডুলেদের কাতারে নাম লিখিয়েছে।

বাউন্ডুলে বলতে আমরা বুঝি সমাজের অপদার্থ,ছন্নছাড়া,অকর্মঠ ঘুরে বেড়িয়ে খাওয়া লাফাঙ্গা ছেলেদের। সার্বিক অর্থে বলতে পারি যারা অহেতুক ঘোরাঘুরি করে কোন সফল প্রাপ্তি ছাড়াই।

এদেরকে সমাজের তথাপি দেশের একধরনের বোঝা বললে ভূল হবেনা।কারণ ২৫-৩০ বছর বয়সের টকবগে যুবকের দেশের জন্য শ্রম দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা, সেখানে তাদের অহেতুক ছন্নছাড়া ঘোরাঘুরি যেন দেশের উন্নয়নের চাকায় লোহার বেড়ী পরিয়ে রেখেছে।

এ তো বললাম যারা বাউন্ডুলের সার্বিক অর্থে বাউন্ডুলে তাদের কথা।

কিন্তু আমি অনেক দেখেছি যারা সত্যের পিছনে ঘুরেও জাগতিক স্বভাবে বাউন্ডুলে হয়েছে।

দেশে ২৫-৩০ বছর বয়সের এমনকি ৩০-৩৫ বছর বয়সের শিক্ষিত বেকার যুবকের অগণিত সংখ্যা রয়েছে। তাদের অনেকেই বছরের পর বছর স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার প্রয়াসে এক দরজা হতে অন্য দরজায় ঘুরে বেড়িয়েছে বহুবার। চাকরির আাশায় লম্বা কাগজে জীবনবৃত্তান্ত লিখে খামে এটেছে হাজার বার। কিন্তু সফলতা কতজন পেয়েছে ?

বেকারত্ব নামের বোঝাটি থেকে মুক্তি পেতে গিয়ে পৃথিবী থেকেই নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে অনেক যুবক !

২৫-৩০ বছর বয়সের টকবগে যুবক।

ওরা দেশের জন্য শ্রম দিতে চায়।

ওরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে।

অতঃপর দেশ তাদের গ্রহণ করে না।

জাগতিক স্বভাবে তারা অহেতুক ঘুরে বেড়ায় দেশের তরে। মিছে ঘুরাঘুরি আর অহেতুক স্বপ্ন দেখার দায়ে সমাজ,দেশ তাদের দন্ডিত করে নাম লেখায় বাউন্ডুলেদের কাতারে। বোঝা হয়ে বেঁচে থাকে পরিবারে, সমাজে এবং দেশের উপরে।

এইসকল বাউন্ডুলে যুবকের বছরের পর বছর অহেতুক ঘোরাঘুরি থেকে জন্ম নেয় হাজারো স্বপ্ন কেনা-বেচার গল্প।

বেকারত্ব সম্বন্ধীয় সমাজের বাবাদের কাছে দন্ডনীয় অপরাধ গুলোর মধ্যে একটি রয়েছে “বেকার যুবককে কণ্যা দান”। সুতরাং বলা যায়, ২৫-৩০ বছর বয়সের বেকার যুবকের বিয়ে করাটাও দন্ডনীয় অপরাধ।

“ওহে বেকার যুবক, তোমরা মূলত বাউন্ডুলে, সমাজে তোমাদের কোন স্থান নেই। তোমরা কাজের জন্য ছুটেছো,  শ্রম দিতে ঘুরেছো, অতঃপর তোমরা সফল হওনি। সুতরাং অহেতুক ঘুরে বেড়ানোর দায়ে তোমাদের দন্ডিত করা হলো”।

সুশীল সমাজ, দেশের জন্য রাজনীতিক এবং সচেতন সফল নাগরিকদের কাছে প্রশ্ন রয়ে গেলো – এই যে জাগতিক স্বভাবে যারা বাউন্ডুলে হলো তাদের জন্য দায়ী কে ?

সমাজ ?

দেশ ?

 নাকি আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থা ?

আব্দুল্লাহ আল মামুন (সুজন)

অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী, পুরকৌশল বিভাগ 

ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ