1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন

ড. মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে সংবাদ প্রত্যাহারে সময় টিভিকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৪৫ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: প্রতারণার মামলায় জেলে থাকা জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়াকে কেন্দ্র করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে সময় টিভিতে প্রচারিত সংবাদ প্রত্যাহারে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী সমিতি ভবনের মিলনায়তনে ‘ড. মিজানুর রহমান মানবাধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির’নেতারা এক সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেন।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রচারিত সংবাদ প্রত্যাহার ও  সময় টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ দু:খ প্রকাশ না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন,ড. মিজানুর রহমান মানবাধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির আহবায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত, যগ্ম আহবায়ক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এএম আমিন উদ্দিন,সুপ্রিম কোর্টের বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ড. মিজানুর রহমান মানবাধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব  ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ।

লিখিত বক্তব্যে ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ  বলেন, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান গত ৮ সেপ্টেম্বর তার আইনজীবীদের মাধ্যমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মো. শাহাবুদ্দিন, সময় টিভি’র বার্তা প্রধান তুষার আব্দুল্লাহ এবং সময় টিভির রিপোর্টার বেলায়েত হোসাইনের বিরুদ্ধে একটি আইনি নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশে উল্লেখিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসমূহ কিভাবে তাদের মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়ে ড. মিজানের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনকে কিভাবে মহাবিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছেন, তার একটি বর্ণনা দেওয়া হয় এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়। ওই আইনি নোটিশের জবাবে গত ৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর তার আইনজীবীর মাধ্যমে একটি চিঠি পাঠান। চিঠিতে তিনি স্বীকার করেন যে তার বক্তব্য কাটছাঁট করে রং ছড়িয়ে সম্পাদনা করে চটকদার শিরোনামে রিপোর্ট প্রচারের ফলে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানের মারাত্মক মর্যাদাহানি হয়েছে। এই অপকর্মের জন্য তিনি সম্পূর্ণরূপে সময় টিভিকে দায়ী করেন। নির্বাচন কমিশন সচিব তার বক্তব্য বিকৃত করে প্রচারের জন্য সময় টিভির বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেয়ার কথা ভাবছেন বলে চিঠিতে জানান। কিন্তু সময় টিভি কর্তৃপক্ষ এই নোটিশের কোন জবাব দেননি। তাই পরবর্তীতে ১৩r সেপ্টেম্বর ত সময় টিভির বার্তা প্রধান তুষার আবদুল্লাহ এবং সময় টিভির রিপোর্টার বেলায়েত হুসাইনকে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এবং ই-মেইলের মাধ্যমে দ্বিতীয় আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

এমতাবস্থায়, ড. মিজানুর রহমান মানবাধিকার সুরক্ষা নাগরিক কমিটি মনে করে যে, ড. মিজানুর রহমানের মত একজন জাতীয় ব্যক্তিত্বের এরকম মারাত্মক মর্যাদাহানির ঘটনা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার অংশ।এরকম একটি অপপ্রচারের ফলে শুধু ব্যক্তি ড. মিজানুর রহমান নন, জাতীয়ভাবে বাংলাদেশের সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সমগ্র দেশের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ এই ঘটনায় অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ। ভবিষ্যতে যে দেশের আরো অনেক নাগরিককে অকারণে এভাবে হয়রানি করা হবে না, তার নিশ্চয়তা নেই। ব্যক্তিগত আইনী পদক্ষেপের পাশাপাশি একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

 গত ৩ সেপ্টেম্বর সময় টেলিভিশনে প্রচারিত প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনার নমুনা পরীক্ষায় প্রতারণা মামলায় কারাবন্দি জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তদবিরে নির্বাচন কমিশনে গিয়েছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। তার সুপারিশের কারণেই ডা. সাবরিনাকে দ্বিতীয় পরিচয় পত্র দেওয়া হয়।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ