1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

পি কে হালদারের সহযোগী সুকুমার মৃধা ও তার মেয়েকে কারাগারে প্রেরণ

  • প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০২ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ  জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) সহযোগী ইনকাম ট্যাক্সের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুকুমার মৃধা ও তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালত সুকুমার মৃধার এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরীর আদালত তার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। উভয় আসামির জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের সংশ্লিষ্ট দুদক শাখার দুদুক কর্মকর্তা জুলফিকার আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এদিন দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান তাদের আদালতে হাজির করেন। একই সঙ্গে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ তাদের দুইজনেরই তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওইদিন দুপুর সোয়া ১টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পিকে হালদারের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখান তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিন।

এর আগে, গত ১৩ জানুয়ারি একই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন পিকে হালদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বান্ধবী অবন্তীকা বড়াল।

অভিযোগ রয়েছে পিকে হালদার ওই প্রতিষ্ঠানসহ পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানির (বিআইএফসি) দায়িত্ব পালন করে প্রায় ৩৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করেছেন।

ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় এরইমধ্যে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ক্যাসিনোবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের পরপরই প্রশান্ত কুমার হালদারের নাম উঠে আসে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২০২০ সালের ১৪ নভেম্বর হাজির হতে নোটিশ দিয়েছিল সংস্থাটি। তার আগে ৩ অক্টোবর তার বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ঠিকই দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। পরে দেশে আসার কথা বলেও আর আসেননি। গত ৮ জানুয়ারি দুদকের অনুরোধে গ্রেপ্তার পরোয়ানা দিয়ে রেড অ্যালার্ট জারি করে ইন্টারপোল।

পিকে হালদারের প্রতারণায় সহায়তাকারী ২৪ জনের বিদেশগমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। আর দুদক এখন পর্যন্ত সহযোগী হিসাবে ৬২ জনকে শনাক্ত করেছে।

পিকে হালদারের ট্যাক্স আইনজীবী ও সুকুমার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের মালিক সুকুমার মৃধা এবং সুকুমার মৃধার মেয়ে ও উইন্টেল ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক অনিন্দিতা মৃধা।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ