1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজকে যুক্তিতর্কের জাবেদা কপি প্রদানের নির্দেশ উচ্চ আদালতের ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিক কারাগারে ফখরুলসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ নভেম্বর বিএনপি নেতা দুলুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৩১ অক্টোবর ৪৬০ কোটির মালিক কম্পিউটার অপারেটর নুরুল ফের রিমান্ডে ‘ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডি প্রতারক চক্রের লিডার’ ভুল চিকিৎসায় পুরুষত্বহীনতার অভিযোগ:২৪ ঘন্টার মধ্যে ওসিকে মামলা নেয়ার নির্দেশ দিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট ফেনীর দাদনার খাল দখল ও দুষণের অভিযোগ:স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ফেনীর দাদনার খাল দখল ও দুষণের অভিযোগ:স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির চেয়ারে আমিন উদ্দিন

  • প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ৫২ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্ট: সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির চেয়ারে বসেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

 

রোববার (৬ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সমিতি ভবনে সভাপতির কক্ষে নির্ধারিত চেয়ারে বসেন তিনি। সভাপতি পদ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে চলমান মিছিল-অবস্থান কর্মসূচির মধ্যে এর আগেও সভাপতির কক্ষে তিনি এসেছেন। কিন্তু সভাপতির চেয়ারে বসলেন আজই।

 

 

এ বিষয়ে আওয়ামী প্যানেল থেকে নির্বাচিত সমিতির সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার সাফায়েত রুমি ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিকেল ৩টার দিকে এ এম আমিন উদ্দিন স্যার এসেছিলেন এবং তিনি সভাপতির চেয়ারে বসেছিলেন। আমরা তাকে স্বাগত জানিয়েছি। এ সময় আওয়ামীপন্থি বিপুল সংখ্যক আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

 

তবে এ বিষয়ে বিএনপির প্যানেল থেকে নির্বাচিত সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

 

 

এদিকে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ দুপুরেও অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিনকে সভাপতি ঘোষণার বিরোধিতা করে মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। একই সময়ে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরাও আমিন উদ্দিনের সমর্থনে মিছিল-সমাবেশ করেন।

 

গত ৪ মে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনের নাম ঘোষণা করে কার্যনির্বাহী কমিটির আওয়ামীপন্থি অংশ। তারা দাবি করেছেন সমিতির বিশেষ সাধারণ সভায় এ এম আমিন উদ্দিন কণ্ঠ ভোটে সভাপতি হয়েছেন।

 

সুপ্রিম কোর্ট বারের প্যাডে এক বিজ্ঞপ্তিতে সমিতির সহসভাপতি মুহাম্মদ শফিক উল্ল্যা বলেন, তার সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি সমিতির সভাপতি পদে এ এম আমিন উদ্দিনের নাম প্রস্তাব করলে উপস্থিত সদস্যরা করতালি ও কণ্ঠভোটে তার প্রস্তাবকে সমর্থন করেন। এ এম আমিন উদ্দিনকে ২০২১-২২ মেয়াদের অবশিষ্ট সময়ের জন্য সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয় সেখান থেকে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির গঠনতন্ত্রের ১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ এম আমিন উদ্দিন সভাপতি পদে ২০২১-২০২২ মেয়াদের অবশিষ্ট সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।

 

এ এম আমিন উদ্দিনের সঙ্গে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা

এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আওয়ামীপন্থি প্যানেল থেকে নির্বাচিত সমিতির সহসভাপতি মুহাম্মদ শফিক উল্ল্যাসহ ৭ জন কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য একমত পোষণ করে স্বাক্ষর করেন। অবশ্য বিএনপিপন্থি প্যানেল থেকে নির্বাচিত সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের ছয় সদস্য এতে স্বাক্ষর করেননি।

 

সমিতির প্যাডে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪ মে আহুত বিশেষ সাধারণ সভা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো আলোচনা ও সিদ্ধান্ত ব্যতিরেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়েছে।

 

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সভাপতি আব্দুল মতিন খসরুর মৃত্যুতে সভাপতির পদটি শূন্য হয়।

 

৪ মে’র সভায় কী হয়েছিল?

 

আব্দুল মতিন খসরুর মৃত্যুতে সভাপতি নির্বাচনে করণীয় ঠিক করতে গত ৪ মে বিশেষ সাধারণ সভার আহ্বান করা হয়। সভার শুরুতে সাধারণ সভার সভাপতিত্ব নিয়ে আওয়ামী এবং বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে তুমুল হট্টগোল শুরু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, এ অবস্থায় সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ঘোষণা দেন, বারের সংবিধান অনুযায়ী আমি এ সভা পরিচালনা করব। তখন এক পক্ষ বিরোধিতা শুরু করলে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের সহসভাপতি মুহাম্মদ শফিক উল্ল্যা ডায়াসে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেন তিনি সভার সভাপতিত্ব করবেন।

 

তখন কাজল বলেন, উনার সভাপতিত্ব করার কোনো কার্যবিবরণী পাস হয়নি। সিনিয়র আরেকজন সহসভাপতি আছেন। তখন শফিক উল্ল্যা বলেন, আমি আজকের সভার সভাপতি। এই সভা থেকে ঘোষণা করছি, আজ থেকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন। তখন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা তাকে সমর্থন দেন। বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা এর বিরোধিতা করতে থাকেন। তারা চিৎকার করে বলতে থাকেন কণ্ঠ ভোট নয়, নির্বাচন চাই। এক পর্যায়ে মিলনায়তনের বৈদ্যুতিক সংযোগ ও মাইকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। মঞ্চের ওপর ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।

 

তখন সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সাধারণ সভা করার মতো পরিবেশ-পরিস্থিতি না থাকায় সভা মুলতবি করা হলো। তুমুল হট্টগোলের মধ্যে দিয়ে বিশেষ সাধারণ সভাটি শেষ হয়

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ