1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কুড়িগ্রাম জেলা ও দায়রা জজকে যুক্তিতর্কের জাবেদা কপি প্রদানের নির্দেশ উচ্চ আদালতের ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপাল বণিক কারাগারে ফখরুলসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ২১ নভেম্বর বিএনপি নেতা দুলুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৩১ অক্টোবর ৪৬০ কোটির মালিক কম্পিউটার অপারেটর নুরুল ফের রিমান্ডে ‘ইভ্যালির চেয়ারম্যান-এমডি প্রতারক চক্রের লিডার’ ভুল চিকিৎসায় পুরুষত্বহীনতার অভিযোগ:২৪ ঘন্টার মধ্যে ওসিকে মামলা নেয়ার নির্দেশ দিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট ফেনীর দাদনার খাল দখল ও দুষণের অভিযোগ:স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট ফেনীর দাদনার খাল দখল ও দুষণের অভিযোগ:স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট

বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে পাবনার এক সহকারি জজের অনন্য উদ্যোগ

  • প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১৯৮২ বার পঠিত হয়েছে
  1. ল লাইফ রিপোর্ট: দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি এবং বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ করতে সারা দেশের  বিচারকগণ ইদানিং দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন যা বিগত সময়ে আদালত সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মামলা দায়েরের তুলনায় নিষ্পত্তির পরিমাণ বেশি। গত জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে পাবনার সহকারি জজ এস এম শরিয়ত উল্লাহর আদালতে সর্বমোট ৫২৬ টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। একই সময়ে মামলা দায়ের হয় ২১৯ টি। অর্থাৎ, নতুন মামলা দায়েরের তুলনায় নিষ্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২৫০%। উল্লেখ্য যে, ২৬ মার্চ থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত করোনা জনিত কারণে অফিস আদালতে সাধারণ ছুটি এবং আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এছাড়া ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ্ করোনা আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ থাকায় আদালতে নিয়মিত বিচারক ছিলো না। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ্  মাত্র ৭ মাসে ৫২৬ টি মামলা নিষ্পত্তি করেন। এর মধ্যে নিজ উদ্যোগে ১৯ টি মামলা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় আদালতের মধ্যস্থতায় আপোষের মাধ্যমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেন। বছরের শুরুতে এই আদালতে প্রায় ২,২০০ মামলা বিচারাধীন ছিল। এছাড়া আরো পাঁচ শতাধিক মামলা নতুন করে দায়ের হওয়া সত্বেও বছর শেষে বর্তমানে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা আঠারো শ এর কম। অর্থাৎ, নতুন মামলা দায়ের এর পরেও বিচারাধীন মামলা সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসছে। বিভিন্ন মামলায় মিথ্যা স্বাক্ষ্য প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, জাল দলিল/কাগজপত্র দাখিলকারীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত মামলা দায়ের এবং জরিমানা করায় এসব প্রবণতা বন্ধ হয়ে গেছে। আদালতের প্রচেষ্টায় সাক্ষীর উপস্থিতি আগের যে কোন সময়ের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা মহামারীর মধ্যেও এই সময়ে প্রায় ৯০০ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। পারিবারিক মোকদ্দমায় অত্র আদালতের বিচারপ্রার্থীরা মাত্র ২-৪ মাসের মধ্যে প্রতিকার পাচ্ছেন। জারি মামলা সমূহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় ডিক্রীদার পক্ষ দ্রুত তার ডিক্রীর ফল পাচ্ছেন। ডিক্রী কার্যক্রমে বাঁধা প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আদালতের স্বপ্রণোদিত মামলা দায়েরের কারণে ডিক্রী জারির পরোয়ানা বিনা জারি তে ফেরত আসা বন্ধ হয়ে গেছে। সমন জারি থেকে শুরু করে রায় পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে বিচারকের কঠোর নজরদারির ফলে বিনা কারণে মামলা বিলম্বিত করার সুযোগ থাকছে না। সমন জারির ক্ষেত্রে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করায় বিবাদী শুরুতেই মামলা সম্পর্কে জানতে পারছেন। বিবাদীর অগোচরে বা মিথ্যা সমন জারি দেখিয়ে মামলায় রায় হয়ে যাওয়ার সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। উন্মুক্ত আদালতে বিচারপ্রার্থীদের বক্তব্য, অভিযোগ প্রদানের সুযোগ দেওয়ায় তাদের হয়রানি বন্ধ হয়েছে। তাছাড়া কারো বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ প্রদানে অনিচ্ছুক ব্যক্তিরা নাম পরিচয় গোপন করেও সরাসরি বিচারকের নিকট অভিযোগ দিতে পারছেন। আদালতের কার্যক্রমে প্রযুক্তি এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করায় দ্রুত মোকদ্দমা নিষ্পত্তি হচ্ছে। করোনা কালীন সাধারণ ছুটির সময় ভার্চুয়াল শুনানির মাধ্যমে জরুরী বিষয়সমূহ নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আদালতের ফেইসবুক পেজের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ন নোটিশ এবং আপডেট জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পাবনার সহকারী জজ আদালতের মতো সারা দেশের আদালত সমূহে ইদানিং এমন উদ্যোগ চোখে পড়ছে। এতে আদালত এবং বিচার ব্যবস্থায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে। যার সুফল পাচ্ছে বিচারপ্রার্থী সাধারণ জনগন।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ