1. [email protected] : dalim :
  2. [email protected] : dalim1 :
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ১০:২৮ অপরাহ্ন

সালিশে কিশোরীকে বিয়ে : সেই চেয়ারম্যানের স্থায়ী বরখাস্ত চেয়ে নোটিশ

  • প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৩৭১ বার পঠিত হয়েছে

ল লাইফ রিপোর্টঃ প্রেম সংক্রান্ত বিষয়ে সালিশ করতে গিয়ে কিশোরীকে বিয়ে করার ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদারকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (৫ জুলাই) নোটিশটি মেইলযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ তিনজনকে পাঠানো হয়।

বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউপি সদস্য রফিক মীরের পক্ষে নোটিশটি পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মাদ ফারুক হোসেন।

নোটিশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়।

আইনজীবী ফারুক হোসেন বলেন, ‘সম্প্রতি কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন হাওলাদার এক সালিশ-বৈঠকে গিয়ে বাল্যবিয়ে করেন, যেটি আইনত অবৈধ। একজন চেয়ারম্যান হিসেবে শাহীন হাওলাদার রক্ষক থেকে ভক্ষকের ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি এ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ রয়েছে। তাই চেয়ারম্যানকে সাময়িক নয়, স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।’

এর আগে গত ২১ জুন শাহীন হাওলাদার বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ২৮ জুন আলোচিত ওই ঘটনায় চেয়ারম্যানকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাহীন হাওলাদার সালিশ করতে গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে করে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪ (৪) (ঘ) ধারার অপরাধ সংঘটিত করেছেন। কেন তাকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না, তা পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তার জবাব সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে বলা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল ওই কিশোরীর। ২৪ জুন রাতে তারা দুজন পালিয়ে যান। বিষয়টি কিশোরীর বাবা ইউপি চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারকে জানান। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেয়ার কথা বলে শুক্রবার কনকদিয়া ইউপি কার্যালয়ে ছেলে ও মেয়ের পরিবারকে আসতে বলেন চেয়ারম্যান।

সে অনুযায়ী শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে দুই পরিবারের সদস্যরা ইউপি কার্যালয়ে আসেন। সেখানে মেয়েটিকে দেখে পছন্দ হয় চেয়ারম্যানের। তিনি মেয়েটিকে বিয়ে করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর শুক্রবার দুপর ১টায় স্থানীয় কাজি মো. আবু সাদেককে বাড়িতে ডেকে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে ওই কিশোরীকে বিয়ে করেন চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদার।

তবে শনিবার (২৬ জুন) একই কাজির মাধ্যমে এ বিয়ের তালাক সম্পন্ন হয়। শাহিন হাওলাদার জানান, ওই মেয়ে তাকে স্বামী হিসেবে মেনে না নেয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

অনুগ্রহ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ সম্পর্কীত আরো সংবাদ